আনোয়ারায় বাঁশের সাঁকো ভাঙার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
এলাকাবাসী ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে তাদের এখন নৌকা ব্যবহার করে খাল পারাপার হতে হচ্ছে।
আনোয়ারায় বাঁশের সাঁকো ভাঙার অভিযোগ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী | ফটো: প্রিয় আনোয়ারা
আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ৬ ভেন্টের ‘বাকখাইন-কেঁয়াগড় রেগুলেটর’ প্রকল্প এলাকায় স্থানীয়দের চলাচলের জন্য তৈরি বাঁশের সাঁকো ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এই প্রকল্প এলাকায় বালুবাহী বাল্কহেড চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ইছামতি খালের মাঝখানের সাঁকোর একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে তাদের এখন নৌকা ব্যবহার করে খাল পারাপার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাতরী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হাসান তারেক গত বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে সাঁকোটি ভেঙে ফেলেন। মূলত বালুবাহী বাল্কহেড যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, সেজন্যই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্য মো. হাসান তারেক বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে আমার নামে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সাঁকোর বিষয়টি সুইচ গেটের দায়িত্বে থাকা জমির মালিক ভালো বলতে পারবেন।”
উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর ইছামতি খালের ওপর ‘জুলাই-৩৬ স্মৃতি’ নাম দিয়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬-ভেন্টের এই রেগুলেটর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, চট্টগ্রাম।
স্থানীয়দের দাবি, জনস্বার্থে নির্মিত এই প্রকল্পের নিরাপত্তা ও চলাচলের পথ সুগম রাখা এখন সময়ের দাবি।