চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নয়, হয়েছিল জলজটঃ জাতীয় সংসদে প্রতিমন্ত্রী
তিনি দাবী করেন, তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টায় সেই পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নয়, হয়েছিল জলজটঃ জাতীয় সংসদে প্রতিমন্ত্রী | ফটো: প্রিয় আনোয়ারা
চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে কোনো স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়নি, বরং ২২০ মিলিমিটার বৃষ্টির কারণে কয়েকটি স্থানে সাময়িক ‘জলজট’ দেখা দিয়েছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ২৮ এপ্রিলের বৃষ্টির পর প্রবর্তক মোড়সহ নগরের মাত্র পাঁচটি স্থানে পানি জমেছিল। তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টায় সেই পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যা প্রচার হয়েছে, তার অনেকগুলোই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। এমনকি ২০২৪ সালের পুরোনো ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সংসদে তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং সিটি করপোরেশন, সিডিএ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন এবং নগরবাসী এতে অত্যন্ত খুশি। তবে বাস্তবে এখন আর আগের মতো জলাবদ্ধতা নেই।"
চট্টগ্রামের ৫৭টি খালের মধ্যে ৩৬টির উন্নয়ন কাজ সেনাবাহিনী বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৩০টি খালের কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি ৬টি খালের কাজ চলমান থাকায় কিছু জায়গায় অস্থায়ী বাঁধ দেওয়া ছিল, যা হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছিল। আগামী ৫ দিনের মধ্যে এসব খালের পানিপ্রবাহ সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি মেয়রের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনো বড় ধরনের জলোচ্ছ্বাস না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আর জলাবদ্ধতার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।