বিরোধীদলকে দমনের চেষ্টা চলছেঃ কর্ণফুলী জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে নজরুল ইসলাম
পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমানোর চেষ্টা চলছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন, তারা সব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত।’
বিরোধীদলকে দমনের চেষ্টা চলছেঃ কর্ণফুলী জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে নজরুল ইসলাম | ফটো: প্রিয় আনোয়ারা
পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও বিরোধীদলকে দমানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপই একমাত্র কার্যকর পথ। জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করে কোনো অশুভ শক্তিই আন্দোলন দমন করতে পারবে না।’
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার আবদুল জলিল ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এগুলো একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমি বলব, আপনারা কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেবেন না। ধৈর্য ধারণ করুন, কারণ জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন।’
সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাষ্ট্রব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি। জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধানকে যুগোপযোগী করা না গেলে রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর হবে না। তাই দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংস্কার প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানাচ্ছি।’
কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ও মাওলানা ইসমাইল হক্কানী।
সম্মেলনে মহানগরী আমীর সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘ওয়ার্ডভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করতে হবে। নতুন নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে সংগঠনকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং নীতি-নৈতিকতার ওপর ভিত্তি করে দেশ পরিচালনার যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।’
উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মাহবুব আলী, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হারুন, আব্দুর রহমান, ইলিয়াস মেম্বার, ডা. মুবিনুল হক, ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ, শরীফ সুমন, মাস্টার মনজুর আলম, জিয়াউর রহমান, মোস্তফা আল মাহমুদ ইমরোজ, মুছা মেম্বার, মাওলানা মুছা, নুরুল আক্কাছ, মো. আলমগীরসহ আরও অনেকে।