হত্যা ও অস্ত্র মামলায় ডেভিড ইমন ১০ দিনের রিমান্ডে
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
ফটো: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানায় দায়ের করা হত্যা ও অস্ত্র আইনের পৃথক দুটি মামলায় মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তার পাঁচ সহযোগীকেও পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতাসিম বিল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, জামাল হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের পাঁচ দিনের রিমান্ড অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া অস্ত্র আইনের মামলায় আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অপর পাঁচ আসামিকেও পাঁচ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৯ জুলাই রাতে যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহযোগিতায় ডেভিড ইমনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় গত ১৩ জুন সংঘটিত যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ জুলাই ভোরে ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি এবং বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা এবং বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রাম মহানগরের একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মামলাগুলোর তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে তারা আশা করছেন।