কাঁচামালের অভাবে স্থবির হচ্ছে ডিএপি সার কারখানা
ফটো: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গ্যাস সংকটের নেতিবাচক প্রভাব এবার পড়তে যাচ্ছে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএপিএফসিএল) ওপর। সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ‘অ্যামোনিয়া’ পাওয়া যাচ্ছে না, যার ফলে আগামী সপ্তাহেই সার কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি থমকে যেতে পারে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক এই উদ্ভূত পরিস্থিতির কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
|
বিষয় |
বিবরণ |
|
উৎপাদনক্ষমতা |
দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন (প্রতি ইউনিটে) |
|
বর্তমান উৎপাদন |
দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ মেট্রিক টন |
|
নির্ভরশীলতা |
প্রতিষ্ঠার শুরু (২০০৬) থেকেই অ্যামোনিয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী দুই কারখানার ওপর নির্ভরশীল। |
|
গ্যাসের চাহিদা |
ডিএপি চালাতে ইউরিয়া কারখানার মতো উচ্চ চাপের গ্যাসের প্রয়োজন হয় না। |
ডিএপি সার তৈরির প্রধান উপাদান হলো অ্যামোনিয়া, যা মূলত সিইউএফএল এবং কাফকো সরবরাহ করে থাকে। গ্যাস সংকটে ওই দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অ্যামোনিয়ার উৎস বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে কারখানায় থাকা সামান্য মজুত দিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম ধীরগতিতে চালানো হচ্ছে, যা কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে।কাঁচামালের পাশাপাশি যন্ত্রপাতির আয়ুষ্কাল কমে আসা এবং পর্যাপ্ত জনবল না থাকাও কারখানাটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মতে, এই কারখানায় আবাসিক লাইনের সমপরিমাণ গ্যাস চাপ হলেই কাজ চালানো সম্ভব, কিন্তু মূল কাঁচামাল অ্যামোনিয়া ছাড়া উৎপাদন সচল রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কৃষি খাতের জন্য অপরিহার্য এই ডিএপি সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে দেশজুড়ে সার সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।