কর্ণফুলীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্বজনদের সন্দেহ
শেষ রাতের কোনো এক সময়ে বাসার একটি কক্ষে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় স্বজনরা তাকে দেখতে পান। পরে তার বড় স্ত্রী, ভাই-বোন ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কর্ণফুলী উপজেলা ম্যাপ | ফটো: Wikipedia
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নে মো. জাবেদ (৩৬) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে শিকলবাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোল্লার বাপের বাড়ি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জাবেদ ওই এলাকার মো. নাজেমের ছেলে এবং মূলত মাওলানা হাসেমের বাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে ধারণা করা হলেও, নিহতের বড় স্ত্রী ও স্বজনরা এই মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. জাবেদের দুই স্ত্রী রয়েছে এবং তিনি উভয়ের সঙ্গেই সংসার করতেন। তবে ঘটনার রাতে তিনি তার ছোট স্ত্রী রিনা আক্তারের সাথে ওই ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। শেষ রাতের কোনো এক সময়ে বাসার একটি কক্ষে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় স্বজনরা তাকে দেখতে পান। পরে তার বড় স্ত্রী, ভাই-বোন ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
কর্ণফুলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জাবেদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতিমধ্যেই পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম ও অন্যান্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।