আনোয়ারায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোডশেডিংয়ের দাপট, জেনারেটর থাকলেও তেল নেই
হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে অত্যন্ত অনিয়মিত, যার ফলে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের দুটি জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি তেলের সরকারি বরাদ্দ না থাকায় সেগুলো অচল হয়ে পড়ে আছে।
ফটো: সংগৃহীত
তীব্র গরমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে অত্যন্ত অনিয়মিত, যার ফলে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের দুটি জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি তেলের সরকারি বরাদ্দ না থাকায় সেগুলো অচল হয়ে পড়ে আছে।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের বারান্দায় ও ওয়ার্ডে অসহনীয় গরমে অসুস্থ শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সী রোগীরা হাঁসফাঁস করছেন। রোগীরা হাতপাখা ও কাগজ দিয়ে বাতাস করে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। ভর্তি হওয়া আবুল কাশেম নামের এক রোগী জানান, রাতে মাত্র ১০ মিনিটের জন্য দুইবার বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। অন্ধকারে ও গরমের মধ্যে রাত কাটানো তার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। আমেনা বেগম নামের আরেক রোগীর স্বজন জানান, জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও তা চালু না করায় তারা বাড়ি থেকে পাখা আনতে বাধ্য হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ১০ কেভি এবং ২০২৪ সালে ৩০ কেভি ক্ষমতার দুটি জেনারেটর প্রদান করা হলেও জ্বালানি সংকটে সেগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী জানান, সারা দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কারণে লোডশেডিং চলছে এবং হাসপাতালে জেনারেটর চালানোর জন্য সরকারি কোনো তেলের বরাদ্দ নেই। তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জেনারেটর চালানো সম্ভব হচ্ছে না।