ইরাকে পিএমএফ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির যৌথ বিমান হামলা, নিহত ৮
ফাইল ছবি | ফটো: ফাইল ফটো
নিজের দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে ড্রোন হামলার কড়া জবাব দিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে ইরাকে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব।
দেশটির প্যারামিলিটারি সংগঠন ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের’ (পিএমএফ) বিভিন্ন ঘাঁটি ও অস্ত্রাগারকে লক্ষ্য করে এই যৌথ আক্রমণ চালানো হয়। এতে ইরাকের নিনেভেহ প্রদেশে পিএমএফ-এর অন্তত আটজন সেনা সদস্য নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, বিমান হামলার পরপরই ইরাকের নিনেভেহ ও বাসরা প্রদেশের আক্রান্ত এলাকাগুলো থেকে আকাশে বিশালাকার ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ভিডিওচিত্র দেখা গেছে, বাসরার ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
এদিকে বুধবার সকালে ‘ইরান-সংশ্লিষ্ট’ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর যৌথ হামলা চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম)। সেন্টকোম জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় গত ৭২ ঘণ্টায় সৌদির ওপর পরিচালিত ৩০টি ড্রোন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পূর্ব ইরাকে তাদের এই সশস্ত্র ঘাঁটিগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন বাহিনী আরও উল্লেখ করে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির নাগরিক ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ছয় শতাধিক হামলা চালিয়েছিল। ভবিষ্যতে নতুন কোনো আক্রমণের শিকার হতে না চাইলে সব ধরনের হামলা পুরোপুরি বন্ধের জন্য ইরাকি গোষ্ঠীগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে সেন্টকোম।