বরুমচড়ায় বন্যায় নিহত শিশুর পরিবারের পাশে জামায়াত আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান
ডাঃ শফিকের প্রত্যক্ষ মানবিক উদ্যোগ ও নির্দেশে নিহত শিশুর স্বজনদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।
অনুদান তুলে দিচ্ছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াত আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী | ফটো: সংগৃহীত
আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়ায় বন্যায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারানো শিশু মো. ইশতিয়াকের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
ডাঃ শফিকের প্রত্যক্ষ মানবিক উদ্যোগ ও নির্দেশে নিহত শিশুর স্বজনদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বরুমচড়া ইউনিয়নে নিহত শিশুর পিতা মো. ইদ্রিসের কাছে দলটির আমীরের পক্ষ থেকে এই অনুদানের অর্থ হস্তান্তর করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের প্রতিনিধি হিসেবে এই সহায়তা প্রদান করেন দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।
এ সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, আনোয়ারা উপজেলা আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আব্দুল গনিসহ স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুদান প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ জামায়াত আমীরের পক্ষ থেকে শোকার্ত পিতা-মাতাকে গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
সহায়তা হস্তান্তরকালে জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, দেশের যেকোনো প্রান্তেই দুর্যোগ বা ট্র্যাজেডি ঘটুক না কেন, ভুক্তভোগী ও শোকাহত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সুনির্দিষ্ট মানবিক নির্দেশনা। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই বরুমচড়ার এই নিঃস্ব পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
সন্তান হারানোর অপূরণীয় ক্ষতি কোনো অনুদান দিয়ে মেটানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবিক ও নৈতিক তাড়না থেকে জামায়াত আমীর সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে শরিক থাকার চেষ্টা করেন। পরে নিহত শিশুর রুহের মাগফিরাত এবং পরিবারের ধৈর্য ধারণের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই দুপুরে আনোয়ারা উপজেলার ৫ নম্বর বরুমচড়া ইউনিয়নের নলদিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাসান সর্দ্দারপাড়া এলাকায় টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাশয়ে পড়ে মো. ইশতিয়াক (৬) নামের শিশুটির করুণ মৃত্যু হয়। নিহত ইশতিয়াক ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইদ্রিসের ছেলে।