পেসারদের ইনজুরি ও ওয়ার্কলোড না মানা নিয়ে যা বললেন সুজন
তবে জিম্বাবুয়ে সফরে কেন পেসারদের টানা খেলাতে বাধ্য হতে হলো, তার পেছনের মূল কারণও ব্যাখ্যা করেছেন সুজন। তিনি জানান, টেস্ট বা সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল দল।
ফটো: সংগৃহীত
জিম্বাবুয়ে সফর শেষে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেস আক্রমণে একপ্রকার চোটের হানা দেখা দিয়েছে। সবশেষ এই সিরিজে চোট পেয়ে ইনজুরির তালিকায় নাম লিখিয়েছেন নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান। ওই সিরিজে দলের মূল পেসারদের সঠিকভাবে ‘ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট’ বা কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা যেত কি না, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি মনে করেন, বিশেষ করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে চাইলেই পেসারদের কিছুটা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলিয়ে কাজের চাপ সামলানো সম্ভব ছিল।
তবে জিম্বাবুয়ে সফরে কেন পেসারদের টানা খেলাতে বাধ্য হতে হলো, তার পেছনের মূল কারণও ব্যাখ্যা করেছেন সুজন। তিনি জানান, টেস্ট বা সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল দল। পরবর্তীতে যেকোনো মূল্যে সিরিজ জেতার তীব্র তাড়না তৈরি হওয়ায় টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো পেসারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট বা চোটের ঝুঁকির কথা সাময়িকভাবে ভুলে গিয়েছিল এবং বাধ্য হয়ে মূল বোলারদের নিয়ে সীমিত ওভারের ম্যাচে লড়াইয়ে নেমেছিল।
ফাস্ট বোলারদের জন্য ইনজুরি একটি স্বাভাবিক ও প্রায়শই ঘটার মতো ঘটনা উল্লেখ করে সুজন মনে করেন, ইনজুরি গুরুতর হলে খেলোয়াড়কে সুস্থ হওয়ার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত। বিশেষ করে তরুণ পেসার নাহিদ রানার চোট পাওয়াকে দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন তিনি। তবে চোট কাটিয়ে নাহিদ যদি দ্রুত মাঠে ফিরতে পারেন তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে, আর যদি তিনি শেষ পর্যন্ত খেলতে না-ও পারেন, তবুও স্কোয়াডে থাকা বাকি পেসাররা দলের দায়িত্ব নিতে পুরোপুরি সক্ষম বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সুজন।